প্রকাশিত: ০৮/০৮/২০১৬ ৩:৫৭ পিএম

সম্প্রতি দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশ সহ কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে “উখিয়া বন নিয়ে নৈরাজ্য আর কত দিন? বন বিটের অফিস ভিটার পাহাড় কেটে অবৈধ বাড়ি নির্মাণ কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন” শীর্ষক সংবাদগুলো আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদের একাংশে আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা, ভূয়া ও কাল্পনিক তথ্য উপস্থাপন করেছে। যার সত্যতার লেশ মাত্র নেই। প্রকৃত পক্ষে আমি উখিয়া রেঞ্জাধীন উখিয়ার ঘাট বন বিট অফিসের একজন রেজিঃ তালিকাভূক্ত ভিলেজার হিসেবে যুগযুগ ধরে বনকর্মীদের নির্দেশমতে বনসম্পদ রক্ষায় স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে আসছি। উখিয়ার ঘাট বিট অফিসের দক্ষিণে আমার বাপ দাদার বসতি শতাধিক বছর আগের থেকে। আমার পিতার নামীয় বন্দোবস্তি জোত জমির মাথা কিলা হচ্ছে বাপ-দাদার আবাদ করা শত বছরের বসত ভিটি ও বাড়ি। আমার মরহুম বাবার স্থিত ৫ যুগ পূর্বে তৈরি মাটির ঘর বর্তমানে জরাজীর্ণ অবস্থায় কালের স্বাক্ষী হয়ে আছে। উক্ত বসত ঘরের রান্না ঘর ভেঙ্গে ইট দিয়ে সম্প্রসারণ ও সংস্কার কাজ চালাচ্ছি মাত্র। কিন্তু উক্ত রান্না ঘরকে বড় আকারে তিলকে তাল বানিয়ে বন বিভাগের নিকট অপব্যাখ্যা দিচ্ছে আমাদের পারিবারিক একটি প্রতিপক্ষ মহল। সহজ সরল নিরহ ভিলেজার হিসেবে আমাকে বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যকার বিবেদ বিভাজন ও প্রতিপক্ষ দাঁড় করানো, আর্থিক হয়রানি ও ক্ষতি সাধনের পাঁয়তারায় পিছু লেগে রয়েছে উক্ত প্রতিহিংসুক কুচক্রি মহল। আমার শতবর্ষী বাপ দাদার নামীয় জোত জমির মাথাকিলা বসত ভিটিতে কোন প্রকার মাটি কাটাতো দূরের কথা, পাহাড়ও নেই। বিট অফিসটি পাহাড়ি টিলায় স্থাপিত। আমার ভিটি বাড়ি সমতল, তার লাগোয়া বাপ দাদার নামীয় দক্ষিণে জোত জমি, সেখানে পাহাড় কেটে বাড়ি নির্মাণের প্রশ্নই উঠেনা। আমি বন বিভাগ সহ কাউকে আর্থিক দ্বারা ম্যানেজও করিনি। কিন্তু আমাদের পারিবারিক প্রতিপক্ষ ষড়যন্ত্রকারী গুটিকয়েক ব্যক্তি আড়ালে থেকে দূর্লোভী সাংবাদিক পাঠিয়ে চাঁদা দাবী করে প্রত্যাখ্যাত হয়ে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। আমি উক্ত সংবাদে বন বিভাগ, আইনশৃংখলা বাহিনী সহ কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ ও উক্ত সংবাদের জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী:
মোঃ খলিল
ভিলেজার
উখিয়ার ঘাট, বালুখালী
উখিয়া, কক্সবাজার।

পাঠকের মতামত

কোর্টবাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, বেকারি ও মাংসের দোকানকে জরিমানা

 কক্সবাজারের কোর্টবাজারের ভালুকিয়া রোডে মধ্যরত্না রত্নাংকুর বৌদ্ধ বিহার সংলগ্ন একটি বাসায় অবৈধভাবে পরিচালিত একটি ...

রোহিঙ্গাদের দক্ষতা উন্নয়নে ৪৬ কোটি টাকায় পরামর্শক নিয়োগের অনুমোদন

চট্টগ্রাম বিভাগে আশ্রয়দানকারী স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা ...

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট

সরকারি বিধিনিষেধ থাকলেও কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অনুসন্ধানে উঠে ...

হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিভাজন পুনর্বিবেচনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

কক্সবাজারের উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিভাজনের প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় জনসাধারণ। এতে বক্তারা ...
Single Page Footer